ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অ্যাম্বুলেন্সেই পুত্রসন্তানের জন্ম, মা-নবজাতক সুস্থ কক্সবাজারে দুই হাজার আইফোনসহ ৬ চীনা নাগরিক গ্রেফতার রাজপথে হুমকি নয়, গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন: রিজভী দাম বাড়লেও মিলছে না সয়াবিন তেল, ব্রয়লারে ফের ডাবল সেঞ্চুরি সব নাগরিকের জন্য ‘এক-আইডি’, পাওয়া যাবে সব সেবা মেসির জন্য বিশেষ হাততালি দেবে আর্জেন্টিনা সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস জলবায়ু অর্থায়ন জাতীয় কমিটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সমন্বয়ক ড. সাইমুম পারভেজ প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্পের চিঠি ‘বোয়িং আপনাকে হতাশ করবে না’; শিগগিরই সাক্ষাতের প্রত্যাশা আমরা তো ওই রাজনৈতিক দল না, যে নিশি রাতের ভোট করব : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী কোনো চাপ নয়, চাহিদার কারণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং কেনা হচ্ছে সীমান্তে ডিজিটাল সার্ভিল্যান্স ও থার্মাল ড্রোনে নজরদারি করা হবে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, সফরের আমন্ত্রণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে গোসলে নেমে একসঙ্গে ৫ শিশুর মৃত্যু নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ফের বন্যার আশঙ্কা : উদ্ধারকাজ স্থগিত করল চীন এডমিরাল পদে পদোন্নতি পেলেন নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কী করতে পারেন, কী পারেন না? শপথ নিতে যাওয়া ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী কে কোন মন্ত্রণালয়ে কারা মহাপরিদর্শকের বদলি নিয়ে অপপ্রচার, জাতিসংঘ মিশনে নতুন দায়িত্ব

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে খেতে পারেন এই ৫ ফল

  • আপলোড সময় : ২৯-০৩-২০২৬ ১০:৩২:৫৩ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৯-০৩-২০২৬ ১০:৩২:৫৩ পূর্বাহ্ন
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে খেতে পারেন  এই ৫ ফল
বর্তমানে উচ্চ কোলেস্টেরল হৃদরোগের একটি প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি শিরায় জমা হয়ে রক্ত প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, আপেল, লেবুজাতীয় ফল, অ্যাভোকাডো, পেঁপে এবং নাশপাতির মতো ফল খেলে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে এবং ধমনী পরিষ্কার থাকে। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ত্রুটিপূর্ণ জীবনযাপন এবং শারীরিক কার্যকলাপের অভাবে বহু মানুষ উচ্চ কোলেস্টেরলের শিকার হচ্ছেন। 


সুতরাং কোলেস্টেরল হলো একটি মোমজাতীয় পদার্থ, যা আমাদের শিরায় জমা হয়ে রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। আর কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য চিকিৎসকরা নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ দিয়ে থাকেন। তবে এ ওষুধগুলোর সঙ্গে নির্দিষ্ট কিছু ফল খেলে কোলেস্টেরলের মাত্রা দ্রুত কমানো সম্ভব এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করা সম্ভব। 

আপেল

প্রকৃতপক্ষে প্রকৃতি আমাদের এমন অনেক ফল দিয়েছে, যা প্রাকৃতিক স্ট্যাটিনের মতো কাজ করে। যেমন— আপেল। কোলেস্টেরল কমানোর জন্য আপেলকে সবচেয়ে কার্যকরী ফলগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এতে পেকটিন নামক এক প্রকার দ্রবণীয় আঁশ থাকে, যা অন্ত্রে কোলেস্টেরলের শোষণকে বাধা দেয়। আর আপেলে থাকা পলিফেনল খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে এবং ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতে সাহায্য করে। প্রতিদিন একটি করে আপেল খেলে তা ধীরে ধীরে আপনার ধমনীর দেয়ালে প্লাক জমা হওয়া কমাতে সাহায্য করতে পারে।

পেঁপে

পেঁপেতে আছে ফাইবার ও লাইকোপিনের মতো শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এটি শুধু হজমে সাহায্যই করে না, বরং ধমনীতে কোলেস্টেরল জমা হওয়াও প্রতিরোধ করে থাকে। পেঁপেতে থাকা ভিটামিন 'এ' ও 'সি' কোলেস্টেরলের জারণ প্রতিরোধ করে, যা রক্ত জমাট বাঁধার একটি প্রধান কারণ। নিয়মিত পেঁপে খেলে আপনার রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকে এবং হৃৎপিণ্ডের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমে যায়।

নাশপাতি ও কিউই

নাশপাতিতে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় ফাইবার থাকে, যা শরীর থেকে কোলেস্টেরল বের করে দিতে সাহায্য করে। আর কিউই পটাশিয়াম ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের একটি ভালো উৎস, যা রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এ দুটি ফল শুধু শিরা পরিষ্কারই করে না, রক্তচাপ স্থিতিশীল রাখতেও সাহায্য করে, যা সার্বিকভাবে হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্য উন্নত করে।


অ্যাভোকাডো

অনেকেই 'চর্বি' শব্দটি নিয়ে ভয় পান, কিন্তু অ্যাভোকাডোতে থাকা মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড হৃৎপিণ্ডের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন একটি করে অ্যাভোকাডো খেলে খারাপ কোলেস্টেরল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। এটি শুধু কোলেস্টেরলই কমায় না, বরং শরীরের লিপিড প্রোফাইলের ভারসাম্যও রক্ষা করে, যা রক্তনালিগুলোকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। যারা স্থূলতা ও কোলেস্টেরল উভয় সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য এই ফলটি আদর্শ।

লেবুজাতীয় ফল

কমলা, লেবু ও জাম্বুরার মতো লেবুজাতীয় ফল ভিটামিন 'সি' এবং ফাইবারের শক্তিশালী উৎস। এসবে থাকা হেস্পেরিডিন ও অন্যান্য অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রদাহ কমায় এবং রক্তনালির স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায়। বিশেষ করে কমলা কোলেস্টেরলকে জারণ থেকে রক্ষা করে। ফলে শিরায় প্রতিবন্ধকতার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। তাজা রস পান করার পরিবর্তে সরাসরি এগুলো খাওয়া বেশি উপকারী। কারণ এটি শরীরকে প্রয়োজনীয় ফাইবারও সরবরাহ করে।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
সাংবাদিক মাইনুল ইসলামকে ফোবানার সম্মাননা

সাংবাদিক মাইনুল ইসলামকে ফোবানার সম্মাননা